২০২০ সালে যাত্রা শুরু করা t20i আজ বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষের বিশ্বস্ত বেটিং গন্তব্য। ক্রিকেটের দেশে ক্রিকেটকে ভালোবেসেই আমাদের পথচলা শুরু।
একটি স্বপ্ন থেকে যেভাবে জন্ম নিল t20i
২০২০ সালের শুরুর দিকটার কথা মনে আছে? সারা দেশ তখন ঘরে বসে। সেই সময়ে একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ভাবলেন – বাংলাদেশে মানুষ ক্রিকেটকে ভালোবাসে, তাহলে কেন তাদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য বাংলা বেটিং প্ল্যাটফর্ম নেই? বেশিরভাগ সাইট ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে, দুর্বোধ্য নিয়মে। এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই t20i-এর পরিকল্পনা শুরু।
মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে t20i লাইভ হলো। প্রথম দিনেই শত শত ব্যবহারকারী সাড়া দিলেন। কারণ একটাই – সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশে পেমেন্ট এবং বাংলায় সাপোর্ট। এটা আগে কেউ করেনি।
পাঁচ বছর পরে আজ t20i বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, তিন হাজারের বেশি গেম এবং সপ্তাহে পঞ্চাশ হাজারের বেশি স্পোর্টস ইভেন্ট – এটাই আজকের t20i।
কীভাবে বছরে বছরে বড় হয়েছি আমরা
বাংলাদেশের প্রথম সম্পূর্ণ বাংলা অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু। বিকাশ পেমেন্ট চালু করা হয় প্রথম দিন থেকেই।
মাত্র এক বছরে এক লক্ষ নিবন্ধিত সদস্য। লাইভ ক্যাসিনো ও ক্রিকেট ইন-প্লে বেটিং যোগ হলো।
t20i অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্রকাশিত হলো। নগদ ও রকেট পেমেন্ট যোগ হলো। ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু।
তিন লক্ষ সদস্যের পরিবার। আন্তর্জাতিক গেমিং অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার সেরা প্ল্যাটফর্মের তালিকায় স্থান।
পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে এখন আরও এগিয়ে যাচ্ছে t20i। ই-স্পোর্টস বেটিং ও USDT পেমেন্ট চালু হলো।
আমাদের ছয়টি মূল শক্তি যা আমাদের আলাদা করে
t20i-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। মেনু থেকে শুরু করে পেমেন্ট নির্দেশনা, বোনাসের শর্তাবলী – সব কিছু আপনার মাতৃভাষায়। বিদেশি ভাষায় গুলিয়ে যাওয়ার কোনো ভয় নেই।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে মাত্র ৪৫ সেকেন্ডে ডিপোজিট সম্পন্ন হয়। উইথড্র গড়ে ৭ মিনিটে। আন্তর্জাতিক সাইটে যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, সেখানে t20i-তে মুহূর্তেই লেনদেন।
AES-256 এনক্রিপশন, দ্বি-স্তর যাচাইকরণ (2FA) এবং AI-চালিত জালিয়াতি সনাক্তকরণ ব্যবস্থা। আন্তর্জাতিক লাইসেন্স ও নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা পরীক্ষা নিশ্চিত করে যে আপনার তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
BPL, IPL, বিশ্বকাপ, প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে ATP টেনিস, NBA – প্রতি সপ্তাহে পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ইভেন্টে বেটিং করা যায়। বিশ্বের যেকোনো কোণের যেকোনো খেলা।
রাত দুইটায় সমস্যা হলেও t20i-এর বাংলায় কথা বলা সাপোর্ট টিম সাহায্যের জন্য প্রস্তুত। লাইভ চ্যাটে গড়ে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে জবাব পাওয়া যায়।
t20i-এর স্বাগত বোনাসে ওয়াগারিং শর্ত মাত্র ১০× – বাজারের সবচেয়ে কম। ক্যাশব্যাক বোনাসে কোনো শর্তই নেই। বড় বোনাসের নামে লুকানো ফাঁদ নেই।
যে মূল্যবোধের উপর দাঁড়িয়ে আছে t20i
একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো মানুষের বিশ্বাস রক্ষা করা। t20i সেই দায়িত্ব নিয়েছে পুরোপুরি। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের চাবিকাঠি।
আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে ব্যবহারকারীর স্বার্থ সবার আগে। বোনাসের শর্ত থেকে উইথড্র প্রক্রিয়া – সব কিছু সহজ ও স্বচ্ছ রাখা আমাদের অঙ্গীকার।
প্রতিটি বোনাস, প্রতিটি শর্ত, প্রতিটি লেনদেন – সব কিছু পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়। লুকানো ফি বা চমকের কোনো সুযোগ নেই।
সর্বোচ্চ মানের প্রযুক্তি দিয়ে আপনার তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা আমাদের প্রথম দায়িত্ব।
t20i বিশ্বাস করে বেটিং একটি বিনোদন, আসক্তি নয়। তাই আমরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্বশীল গেমিং প্রচার করি এবং প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম সরবরাহ করি।
আমরা শুধু একটি সাইট নই – আমরা একটি পরিবার। পাঁচ লক্ষ সদস্যের এই সম্প্রদায় আমাদের অনুপ্রেরণা।
প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার, নতুন গেম ও উন্নত প্রযুক্তি আনার চেষ্টায় t20i কখনো থামে না।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং আগে থেকেই ছিল, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বিদেশি এবং ইংরেজিতে। একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য সেগুলো ব্যবহার করা মানে ছিল ভাষার বাধা পেরিয়ে, বিদেশি পেমেন্ট মেথড খুঁজে নেওয়া। t20i এই পুরো অভিজ্ঞতাটাকে বদলে দিল।
t20i-এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো ব্যবহারকারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া। যখন জানা গেল বাংলাদেশের ৯০% মানুষ বিকাশ ব্যবহার করেন, তখন প্রথম দিন থেকেই বিকাশ পেমেন্ট নিশ্চিত করা হলো। যখন দেখা গেল অনেকে রাতে বেটিং করতে পছন্দ করেন, তখন ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট চালু করা হলো।
ক্রিকেট বিভাগে t20i বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। বাংলাদেশ বনাম যেকোনো দলের ম্যাচে t20i-এ ট্র্যাফিক কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ইন-প্লে বেটিং ফিচারে প্রতিটি বলে অড্স বদলায়, ক্যাশ আউটের সুযোগ থাকে এবং লাইভ স্কোরকার্ড দেখা যায় – এই সব মিলিয়ে ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়।
নিরাপত্তা নিয়ে t20i কখনো আপোস করেনি। আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এই প্ল্যাটফর্ম নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
দায়িত্বশীল গেমিং t20i-এর কাছে শুধু কথার কথা নয়। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ব্যয় সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে, সাময়িক বিরতি নেওয়া যায় এবং প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা যায়। আমরা বিশ্বাস করি একজন সুখী ও সুস্থ সদস্যই আমাদের সেরা সম্পদ।
আগামী দিনে t20i আরও বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে। নতুন গেম, নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি, আরও উন্নত লাইভ স্ট্রিমিং – এই সব নিয়ে কাজ চলছে। তবে যাই হোক না কেন, আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই থাকবে: বাংলাদেশের প্রতিটি বেটিং উৎসাহীর কাছে সেরা অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।
t20i শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় – আমরা একটি দায়িত্বশীল কমিউনিটি। আমাদের সদস্যদের মানসিক ও আর্থিক সুস্থতা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিন, সাপ্তাহিক বা মাসিক ব্যয় সীমা নিজেই ঠিক করুন।
৭ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সাময়িক বিরতি নেওয়া যায়।
নির্দিষ্ট সময় পর পর খেলার সময় মনে করিয়ে দেওয়ার সুবিধা।
আসক্তি মনে হলে জাতীয় হেল্পলাইন ১৬৭৮৯-এ ফোন করুন।
পাঁচ লক্ষ সদস্যের এই পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিবন্ধন করুন, ৳৫,০০০ পর্যন্ত স্বাগত বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।